Shiva …

Let them think about an image of some Indian Deity “Who Smokes Weed Maaaan!” each time they hear this name ……

Let them shout out “Har Har Mahadeo” ….. Let them dip and pray for the betterment of their business or may be for an “Alike!” groom ……

Let them offer raw currencies or drenching with milk in exchange of their fulfilled “PRAYERS!” ….

Even let some of them crush a rock into dust for kafirs worship it as Shiva…..

Some will always remain in the remotest corners of the Earth to Inhale thy psychedelic reality.

WA.jpg

Shiva, who you are actually ????

Are you a deity who grants wishes ? are you the one with a trident having a dambaru tied to it ? are you some weird snake charmer ? who the hell are you ???

You answered within — “Think”

I thought and saw nothing but darkness, endless darkness, even in deep meditation I fathomed only the endlessness of someone, or should I say something …

Whom ? whom i know ? who is endless ???

My consciousness replied, “Time”.

So you are time itself ? infinite in both the gradients …. “Mahakal” thy name, announces for ages, the truth i ignored.

Again I asked, “why then the weed ? why the obsession of cremation ashes ?”

Again You answered within — “Think”

My trance called out…. “some cursed with the vision through time and space which bites him everytime as a snake to inject the venom of all the misery and affliction of the universe , some has no control on his own creation, some spiked with the faults too late to correct every moment, some pained with the accumulated sorrows of the minds, some understood uncertainty as the only certain thing in the creation needs weeds of wisdom to feel all those as dreams … needs cremation ashes of sense to cover the eternity within …. needs the madness of Tandav to make the dream named creation start a new lap ”

Just like i feel bad for persons suffering, just like the frustration for my disobedient sons, Just like the blunders of past which changed everything ….

Just like the fear for losing my loved ones some day, just like the treacheries, intense hurting of my calculated assumptions …

Just like every people around ….

Shiva, Now I Know …… You are me, everyone ….. the eternal persona …

This time ….. every thing silenced …… as the only true question of the universe is answered ….

বিষকুম্ভং পয়োমুখম – ১

গুপ্তশত্রুর সন্ধানে, পর্ব -১ (রংবাজী)
 
ছোটবেলায় বাবা একটু রঙচঙা মিষ্টি দেখলেই বলত, “খাসনা, রঙ দেওয়া আছে”। অনেকেই বলেন, এবং সযত্নে পরিহার করে চলেন বিভিন্ন রঙিন শরবত ইত্যাদি, এই বেপরোয়া বয়সের যুগে অনেক টিনেজারও স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে রঙিন খাদ্যবস্তুকে এড়িয়ে চলে, এটা একটা ইতিবাচক প্রবণতা। কিন্তু এর মাধ্যমে আদৌ কি আমরা এড়িয়ে যেতে পারছি অস্বাস্থ্যকর রঙ দেওয়া খাবার ???
 
উত্তরটা খুবই হতাশাব্যাঞ্জক, না আমরা পারছি না বরং আমাদের প্রতিদিনের খাবারের প্রায় ৭০% বস্তুতেই মিশিয়ে দেওয়া আছে কৃত্রিম রঙ, যা শুধু নিছক রঙ নয়, প্রাণঘাতি কার্সিনোজেন (যে পদার্থ শরীরে অবধারিত ভাবে ক্যানসার তৈরী করে)।
 
আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব এমন একটি জিনিসের সঙ্গে যেটি শুধু বিভিন্ন বাইরের খাবারেই মেশানো থাকে না, আমরা নিজেরাও সম্পূর্ণ অশিক্ষিতের মত বাজার থেকে কিনে এনে বাড়ির খাবারে মেশাই। অশিক্ষিত বললাম কেন ??? কারণ এই প্রোডাক্টটির গায়ে প্রস্তুত কর্তারা ছোট ছোট হরফে হলেও “FOR INDUSTRIAL USE ONLY, NOT FOR HUMAN CONSUMPTION” লিখে নিজেদের আইনগত ভাবে বাঁচার রাস্তা পরিস্কার করে রেখেছে। আর আমরা সেই লেখা পড়ে দেখারও প্রয়োজন মনে না করে যথেচ্ছ পরিমাণে বিষ ইচ্ছাকৃত ভাবে খেয়ে চলেছি প্রতিদিন। আজ্ঞে হ্যাঁ বিষ, ফুডকালারিং হিসাবে ব্যবহার করলেও এটিকে “বিষ” বলে অভিহিত করলে কিছু মাত্র ভুল হবে না।
 
এই প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল বেশ কিছুদিন আগে আমেরিকার এক নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতার একটি অত্যন্ত ঐতিহ্যশালী বিশ্ববিদ্যালয় একত্রে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। আমার জিগরি দোস্ত এই গবেষনায় যুক্ত থাকার সুবাদে আমিও কাঠবেরালির মত সেতু বন্ধনে সাহায্য করার সুযোগ পেয়েছিলাম। বাজার থেকে গুঁড়ো হলুদ ও গুঁড়ো লঙ্কার স্যাম্পেল সংগ্রহ করার দায়িত্ব বর্তেছিল আমার উপর। সেই মত বিভিন্ন বাজার ঘুরে বহু আনপ্যাকেজড হলুদ, লঙ্কা গুঁড়োর পাশাপাশি বেশ কিছু নামী দামী কম্পানির প্যাকেজড টারমারিক পাউডার আর চিলি পাউডারের প্যাকেটও সংগ্রহ করে দিয়েছিলাম। আর দিয়েছিলাম একটা কামধেনু রঙের প্যাকেট, কৌতুহল বশতঃ। পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হওয়ার পর একদিন বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম কি পাওয়া গেল ? সে জানিয়েছিল লুজ বিক্রি হওয়া গুঁড়োয় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ আর প্যাকেজড গুলোয় ১২ থেকে ৩৫ শতাংশ কার্সিনোজেনিক রাসায়নিক রঙ উপস্থিত। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম আর কামধেনু ? সে হেসে বলেছিল, “ভাই ওটা পুরো খাঁটি” , আমি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করায় সে জানায় ওটির ১০০ শতাংশই খাঁটি বিষ, অর্থাৎ কার্সিনোজেনিক কেমিক্যাল।
 
হ্যাঁ এই স্টিং রিপোর্টের প্রথম পর্বে আমি কামধেনু রঙ সম্বন্ধে বলব। অনেকেই এই লেখা পড়ে অবাক হচ্ছেন, কারণ এই রঙ এতদিন তাঁরা নির্বিচারে ব্যবহার করে এসেছেন বাড়িতে বিরিয়ানী বানাতে। যাঁরা নিজেরা কখনও দোকান থেকে কেনেননি বা বিরিয়ানি খান না তাঁদেরও আশ্বস্ত হবার কিছু নেই, শুধু হোটেলের বিরিয়ানি বা লাল লাল মাংসের ঝোল ই নয় , পাড়ার ফুটপাথে টিকিয়া চাট বা ঘুঘনি খেয়েছেন তো ? কিম্বা বিভিন্ন ফাস্টফুডের সঙ্গে দেওয়া টুকটুকে লাল সস ? কিম্বা ফলের দোকানে বিক্রি হওয়া চেরী ? এসব খান না ? আচ্ছা বেশ, লাল টুকটুকে ডালিম কিম্বা বাজারের সেরা টাটকা মাছ, যেটার লাল টকটকে রক্ত দেখে তাজা মাছ ভেবে কিনেছেন ? কিম্বা দোকান থেকে কেনা সোনার মত রঙের অঢ়র (অরহর) ডাল ? —— এসবের সব কটাতেই এবং আরও নানা খাবারে ইচ্ছাকৃত ভাবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মিশিয়ে দিচ্ছে কামধেনু রঙ। যা শুধু নিছক রঙ নয়, ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী বিষ।
 
বাজারে প্রধানতঃ দু ধরণের কামধেনু রঙ বেশী প্রচলিত। লাল আর হলুদ। কমবেশি সব মুদিখানার দোকানে পাওয়া যায়। বাড়িতে বিরিয়ানি করলে দোকানের মত সাজাতে এই রঙ বাঙালীর চাই ই চাই। বর্তমানে শুধু কামধেনুই নয়, তাকে নকল করে আরও কয়েকটি কোম্পানি বাজার ধরতে নেমে পড়েছে। এসব রঙের প্যাকেটের পিছনে ছোট ছোট হরফে সাবধানবাণী লেখা থাকলেও এরা ইচ্ছাকৃত ভাবে প্যাকেটের ভাঁজ এমন ভাবে করে যে ঐ সাবধানবাণী প্যাকেটের ভাঁজে ঢাকা পড়ে যায়। জনসচেতনতা না থাকায় এবং অতিরিক্ত লাভের আশায় মুদিখানাগুলিও খাবার রঙ বলে নির্বিচারে এগুলি বিক্রি করে।
 
আসুন দেখে নেওয়া যাক কি আছে এই কামধেনু রঙে। হলুদ রঙটি হল মেটানিল ইয়েলো (C18 H14 N3 Na O3 S) আর লাল রঙটি হল এস এস রেড (potassium dichromate – K2 Cr2 O7). এই দুটি রাসায়নিকই এতটা ভয়ঙ্কর যে এর একটা বিন্দুও ক্যানসার ডেকে আনতে পারে। তাই ল্যাবরেটরিতে এগুলি নিয়ে কাজ করার সময় গ্লাভস ও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও মেটানিল ইয়েলো ক্যানসারের পাশাপাশি আরও কিছু দীর্ঘস্থায়ী অসুখ তৈরী করতে পারে, যেমন অ্যালঝাইমার্স, প্যারানৈয়া, ইন্সোমনিয়া, কিডনি স্টোন, ব্রেণের ও নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা। বিভিন্ন ক্লিনিকাল ট্রায়ালে প্রমাণিত হয়েছে যে, এই কেমিক্যাল শরীরে একবার ঢুকলে তার প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। এমনকি মায়ের শরীরে থাকা এই কেমিক্যালের প্রভাবে বাচ্চার মস্তিষ্কের গঠন ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে।
Potassium Dichromate রাসায়নিকটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি পদার্থ যার প্রভাবে ক্যানসার ছাড়াও আমাদের শ্বসনতন্ত্র মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভবনা দেখা যায়। এছাড়াও থাইরয়েড গ্ল্যান্ড, কিডনি, লিভার, লাংস, পাকস্থলি, জননতন্ত্র ইত্যাদিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রবল সম্ভবনা থাকে।
 
কি করে বোঝা যায় কোন খাদ্যে এই প্রাণঘাতী বিষ মেশানো আছে কিনা ? বোঝা খুবই শক্ত। ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করা ছাড়া উপায় নেই, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষা হিসাবে দেখা হয় রঙ পরিবর্তন (মেটানিল ইয়েলো ঘন হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলে গোলাপী বর্ণ ধারণ করে আর পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট সালফার ডাইঅক্সাইডের সংস্পর্শে ঘন নীলবর্ণ ধারণ করে)।
 
এই ভয়ংকর বিষের হাত থেকে বাঁচার রাস্তা কি ? চোখ কান খোলা রাখুন। দোকান থেকে এই কামধেনু রঙ কিনে ব্যবহার করা বন্ধ করুন, দোকানদার কে বোঝান যাতে তিনি এই বিষ দোকানে না রাখেন, আরও যাঁরা যাঁরা কেনেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলুন, তাঁদেরও বোঝান, সচেতন করুন। রাস্তাঘাটের বেশী রঙচঙ্গা খাবার এড়িয়ে চলুন । পরিচিত কেউ যদি ঘুঘনি বা আচার বা সস ইত্যাদি প্রস্তুত করার ব্যবসায়ে যুক্ত থাকেন তাহলে তাঁদেরকে সচেতন করুন। জনসচেতনতা ছাড়া এই সমস্যার অন্যকোন সমাধান আমাদের হাতে এই মুহুর্তে নেই। সরকার যদি দায়িত্ব নিয়ে এই রঙকে ডোমেস্টিক ইউজের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে বা নিদেনপক্ষে এর প্যাকেটের সামনে বড় বড় অক্ষরে পয়জন বা বিষ লেখা বাধ্যতামূলক করে দেয়, তাহলে কিছুটা কাজ হতে পারে।
 
অনেকে জিজ্ঞাসা করতেই পারেন, তাহলে খাবার রঙ করার বিকল্প ব্যবস্থা কি ? তাঁদের বলি যে রঙ গুলিতে ফুড কালারিং কথাটি লেখা থাকবে এবং fssai লেখা থাকবে একমাত্র সেই রঙগুলিই খাবার রঙ করতে ব্যবহার করবেন। আর কেউ অনুমোদনহীন রঙ দিয়ে খাবার বানিয়ে তা বিক্রি করলে FSSAI এর কাছে অভিযোগ করার পূর্ণ অধিকার আপনার কিন্তু সবসময় রয়েছে।
 
এই লেখাটি শেয়ার করুন যতভাবে পারেন, ইচ্ছা হলে কপি পেস্ট করুন, সচেতনতা ছড়িয়ে দিন। খুব শিগগীরই ফিরে আসছি “গুপ্তশ্ত্রু” সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে।
 

অ্যান্থেম …

ভরত বাবু তাঁর সন্তানের নাম আগে থেকে ঠিক করে রেখেছিলেন । এমনকি পাতার পর পাতা তার সম্বন্ধে নানা কাল্পনিক কবিতাও লিখে রেখেছিলেন । তার সঙ্গে কি করবেন, কোথায় যাবেন, তাকে কি কি শেখাবেন … আসলে চিন্তাশীল মানুষ তো । আর ডাইরির প্রথম পেজে বড় বড় করে লিখে রেখেছিলেন অনাগত অতিথির নাম ।

আশা দেবীর প্রসব বেদনা উঠেছে মনে হওয়ায় আর দেরী করেননি ভরত বাবু । অ্যাম্বুলেন্সের অপেক্ষাও না । সোজা একটা ট্যাক্সি ডেকে বেরিয়ে গিয়েছেন তাঁকে নিয়ে । কাছের রেপুটেড একটা নার্সিংহোমের উদ্দেশ্যে ।

সব ব্যবস্থা পাকা করে দিয়ে ডাক্তারদের অনুমতি নিয়ে ভরত বাবু বাড়ী ফিরলেন অনেক রাত্রে । আজকে হওয়ার কোনো চান্স নেই । যা হবার হবে কাল ।

ঘরটা একটু নিজের মত করে সাজালেন, নতুন অতিথির জন্য । বেশ তাড়াতাড়িই হয়ে গেল । আসলে কয়েক দশকের অভ্যাস তো । উদযাপন না অভিনয় বোঝেন না ভরত বাবু তবু ঘড়ির কাঁটার মত অভ্যস্ত ট্র্যাকে পুতুলের মত নিষ্পন্দ হয়ে দেখেন পুনরাবর্তিত ঘটনা আর ট্রের উপর মৃতসন্তান ।

সব সত্যির অন্ধকার মিথ্যের তাপবীক্ষণ চশমায় দেখেও প্রতিবার ঘর সাজান, জিনিস পত্র এদিক ওদিক করেন নিবিষ্ট চিত্তে আর তারপর সময়ের ভারে স্পর্শকাতর ডাইরিটার পাতা ওল্টান যেটার প্রথম পাতায় তাঁর অনাগত সন্তানের নাম লিখেছিলেন নিজের হাতে ।

কবিতা গুলো পড়তে পড়তে কখন যেন তাঁর স্ত্রীর স্বপ্নগুলোয় বিভোর হয়ে যান বাস্তবকে মিথ্যুকের জোব্বা পড়িয়ে । ডাইরির প্রথম পাতাটা বার বার হাত বুলিয়ে দেখেন পরম মমতায় । যে পাতাটা হয়ত একদিন ইতিহাসের দলিল হয়ে উঠবে, যে পাতাটায় গোটা গোটা হাতে “গণতন্ত্র” লেখা আছে ।

শয়তানের রুটিন

বাড়ির নম্বর ৬৬৬ । কলকাতার অভিজাত পার্ক্সট্রীট এলাকায় চারিদিকের কনভেন্ট আর গীর্জা পরিবৃত হয়েই আপাতঃ বৈশীষ্ট্যহীন ৫ তলা ইমারতটার গর্বিত অবস্থান । কুচকুচে কালো রঙ বাড়িটাকে অন্যান্য বাড়ির থেকে কিছুটা আলাদা করেছে যদিও। বাড়ির গেটে থাকা যমদূতের মত দারোয়ানদুটো যদিও বলে যে বার বার রঙ করার খরচ বাঁচাতে কাল রঙ করা হয়েছে তবুও এদিক ওদিক কান পাতলেই শোনা যায় হাড়হীম করা কিছু কাহিনী, কিছু নিষিদ্ধ সাধনার কথা ।

বাড়ির মালিককে কেউ দেখেনি কখনও । কানাঘুষোয় শোনা যায় বাড়িতে এক রাজা থাকে আর থাকে তার রাণী ।  এই জেট প্লেনের যুগেও মানুষ তাসের রাজারাণী ছাড়াও অন্য কোনো রাজারাণীর অস্তিত্বে বিশ্বাস করছে ভাবতে কষ্ট হলেও ব্যাপারটা বিশ্বাস করা স্বাভাবিক কারণ তারা বিশ্বাস করে এই বাড়ির মালিক – মালকীন শয়তানের পূজারী, অলৌকিক শক্তিধর । আর এই বিশ্বাসে জোড়দার স্ট্যাম্প মেরেছে সকাল বিকেল রাত্রি সব সময় ঢোকা বেরনো করা গাদা গাদা কালো রঙের গাড়ি । গায়ে লেখা “SATAN” ।

তা শহরের মাঝে এরকম একটা অধার্মিক ব্যাপার বেশীদিন চলতে দেওয়া তো আমাদের প্রতিক্রিয়াশীল শহরের ধাতে নেই তাই গেরুয়া, সাদা সবুজ সব শিবিরই একবার করে এসেছে, লোকজন জমিয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা চালিয়েছে, কিন্তু লাভ কিছু হয়নি । কারণ লোকজন ভয়েই আধমরা হয়ে ছিল । বোধ হয় গড আল্লা বা ভগবানের ভরসার থেকে শয়তানের উপর তাদের ভয় বেশী বলেই । কিম্বা হয়ত ভগবান এই সব বিভিন্ন রঙ্গের শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়ে তার প্রভাবও কমে এসেছে সব ধর্মেই কমন শয়তানের তুলনায় ।

গুটিকয় মামলাও হয়েছে । ৬৬৬ নম্বর বাড়ির মালিক নিজে না গেলেও তার উকিলেরা গিয়ে মামলা জিতে এসেছে । আসলে ভগবানের দালালরা ঠিক প্রমাণ করতে পারেনি যে ঐ বাড়ির কার্যকলাপ কার কোন পাকা ধানে মই দিচ্ছে । তাই লোকে হাল ছেড়ে দিয়েছে ঐ বাড়িটার ওপর । ঐ বাড়ির লোকেদের গতিবিধির ওপর । নতুন পার্থ দে , দেবযানীর মত মুখরোচক বা গায়ের লোমে আল্লাহো লেখা ভেড়া কিম্বা গণেশের মত শুঁড় নিয়ে জন্মানো বাচ্চা ইত্যাদি ভগবানের মহিমার খবরে প্রতিদিন চায়ের কাপে ঝড় উঠছে দোকানে বাজারে বাসে ট্রেণে …

* * *

অনেকগুলো বছর হয়ে গেল শতরূপা আর সায়নাংশুর বিয়ে হয়েছে । এখনও দুজন দুজনকে জমিয়ে আদর করার অভ্যাসটা ফিকে হয়নি যদিও, দিনকে দিন আরও বেড়েই চলেছে । ছোট্ট একটা চাকরি থেকে দুজনের চেষ্টায় আজ প্রায় ১৭ টা কোম্পানির মালিক তারা । কোম্পানি থেকে কালেক্টেড রেভিনিউ এর ৯০ শতাংশ দিয়েই তারা তাদের সারাজীবনের স্বপ্ন গুলোকে বাস্তবায়িত করে ।

শুরুটা হয়েছিল সেই বিয়ের কদিন পরপরই যখন ওরা সমস্যাটার কথা জেনেছিল । ওদের দুজনের জীবন যাত্রার মধ্যে শুধু মাত্র নিরোধ কেনা বন্ধ হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছু পরিবর্তন হয়নি । অবশ্য ওদের কিছু না এলেও সমাজের অনেক কিছু এসে গিয়েছিল, বাঁজা বা আঁটকুড়ো দম্পতীকে পাড়ায় রাখলে ভগবান অসন্তুষ্ট হয়ে অন্যদের অমঙ্গল করবেন সেই অজুহাতে পাড়া ছাড়া হয়েছিল নিতান্তই অল্প সম্বলের দুটো বাচ্চা বর বউ ।

তার পর অমানুষিক পরিশ্রম, ভালবাসা আর উন্নতির গল্প, অবশ্য সবটাই লোকের চোখ বাঁচিয়ে । কারণ পয়া বা অপয়া কোনো মানুষেরই উন্নতি সবাই হঠাত করে মেনে নিতে পারেনা, অন্য সমীকরণ খোঁজে । স্বচ্ছলতার পরও যখন কটা পথশিশুকে নিয়ে তাদের ওপর অবরুদ্ধ মমত্ব তার অনেক বছরের একটু একটু করে মজে যাওয়া খাত বেয়ে সরল ধারায় বওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছে তখনই একটু একটু করে ভিজতে থাকা বালিয়ারীতে বাঁধ হয়ে দেখা দিল ভগবানের দালালরা, নিজেদের মনুষ্যত্বের গাফিলতিকে ঢাকতে অন্যের সহমর্মীতার প্রকাশ ভন্ডুল করার চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী ।

তারপর অনেক বছর পর জন্ম হল SATAN এর । বস্তি বা রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো বাচ্চাদের কয়েকটা মোবাইল স্কুল চালায় ওরা । কালো গাড়ি গুলোতে অত্যাধুনিক ক্লাসরুমের আইডিয়াটা শতরূপারই । আর তাদের বাড়ির নীচের নিজস্ব বেকারীতে বানানো কেক, বিস্কুট ফল টিফিন দেয় ওদের । সবই চলে চুপচাপ । মিডিয়ার ঝলকানী নেই, ফুটেজ খাওয়ার গল্প নেই তাই রঙিন বাবুরাও মাথা ঘামানো ছেড়ে দিয়েছে । যতই হোক তাদের প্রচারে বা ভোট ব্যাঙ্কে তো আর টান পড়ছে না ।

একটা কথা কিন্তু কেউ জানেনা । ঐ “এস” “এ” আর “টি” এর মাঝে একটা কালো রঙের “এন” আছে, গাড়ির মিশকালো রঙের মধ্যে যেটাকে আলাদা করে চেনা যায় না ।

আসলে ভগবানের মুখোশের আড়ালে আজ দানবেরা মৌরসীপাট্টা গেড়েছে তাই শতরূপা আর সায়নাংশুর মত অনেকেই শয়তানকে জেহাদের প্রতীক করে নিচ্ছে, মানুষ আর তার সন্তানের নিরপেক্ষ ভবিষ্যতের চিন্তায় ।

একা

অনেক দিন ছড়া লিখিনি …..

আজ এই ছেলেমানুষি লাইন দুটো রাখা রইল “হেমা”র জন্য ….

যাওয়াআসার পথের ধারে ভয়ালরূপে তোমায় দেখা
যদিও জানি আসল তুমি মনে মনে বড্ড একা

কার্বণিত রাখাল

রাখাল যদি সত্যিই কল্পনার জগতের চরিত্র হত, তাহলে কিন্তু কাহিনীটা হয়ত বেশীদূর গড়াত না । কারণ কল্পনা বুনে তোলা কল্কার মত রাখালের জীবনটাও হত ব্যালেন্সড আর পারফেক্ট । সে ডাইমেনশনের রাখাল কুহক দেশের সীমানা ছাড়িয়ে কয়েক পা হাঁটার পরেই কোথা থেকে এক কবুতর টুপ করে তার কাঁধে বসত । কয়েক দন্ড তীর বেগে ওড়ার ক্লান্তি জুড়িয়েই পায়ে বাঁধা লীপি তুলে দিত রাখালের হাতে ।

“রাখাল তুমি পারলে আমায় ফেলে রেখে চলে যেতে ? পারলে আমার নিশ্চিত বন্ধুহীনতা আর একাকীত্বের পরিণতি জেনেও দেশান্তরের পথে পা রাখতে ? চেয়ে দেখ আমার মায়াদন্ড আমি নিক্ষেপ করেছি উপলব্ধীর আগুণে । কালের অমোঘ নিয়মে আমার মায়াশহরের লুণ্ঠিত পরিত্যক্ত্য পরিণতি আজ আমার দু চোখ ভরে ডেকে আনছে হঠাত করেই হারিয়ে যাওয়ার ভয় । যে ভয়কে দুর্বলতা ভেবে এতদিন উপহাস করেছি, তার আর্তনাদ চাপা পড়েছে স্বার্থান্বেষী স্তাবকদের জয়ধ্বনীতে ।

রাখাল আজ যখন সন্ধ্যা নামছে পৃথিবীর বুকে তখন আমার মায়ায় আমার অলকাপুরীতে শরতের রোদ । কিন্তু আমি যে ক্লান্ত, একঘেয়ে জয়ধ্বনীর শব্দে । আমার অনন্ত যৌবন, আমার মাদকতার অভিশাপ আমার কন্ঠ রোধ করছে ।

রাখাল, আজ প্রাণ চাইছে মায়ার আবরণ সরিয়ে জগতের মুখোমুখি হতে । শরতের শ্যামলীমা আর নীলাকাশের অভিনয় কাটিয়ে গোধূলী ভরা সন্ধ্যাকে প্রত্যক্ষ্য করতে । হীরক খচিত কেয়ূরে পার্লার ফ্যাশনড কেশরাজীকে উন্মুক্ত করে দিয়ে তোমার হাত ধরে বেরিয়ে পড়তে পৃথিবীর খোঁজে । একটা বাস্তব দিনের শেষে, কোনো বন্য ঝরনার পাশে তোমার চওড়া বুকে মাথা রেখে মনের কবরে দাফন করা অনুভূতিগুলো পুনরজ্জীবিত করতে ।

আমায় সঙ্গে নেবেনা রাখাল ?”

***********************

কিন্তু দুঃখের কথা হল যে আমার কলমের ভিতর দিয়ে আপনাদের সামনা সামনি হেঁটে আসা রাখাল বাস্তবের এক কার্বণিত অনুলীপি । কার্বণের প্রলেপে তার রঙ কখনও চেঞ্জ হয়ে হয় নীল কখনও কাল, কিন্তু অবয়ব বদলায় না ।

তাই আমাদের রাখাল অবাস্তবের কবুতরের অর্থহীন অপেক্ষা করেনা । দিনের শেষে যখন আকাশে একটা দুটো করে তারা ফুটে ওঠে তখন ঘুমোতে যাওয়ার আগে তার বাঁশির সুর আকাশ বাতাসে ক্ষণিকের স্বপ্ন আঁকে । কিন্তু সে ক্ষণিক মাত্র … কাল যে তাকে আরও পূর্বে এগিয়ে যেতে হবে, মগ দেশের দিকে, অনেক পথ যে বাকি ………

ডিকোডেড – ১

আজ থেকে বিদেশী বন্ধুদের জন্য কিছু সংস্কৃত শ্লোকের অনুবাদ করব ভেবেছি । প্রথম কিস্তি —- গীতার কয়েকটি শ্লোক ।

বাসাংসী জীর্ণাণী যথা বিহায়, নবানী গৃহ্নাতি নরোহপরাণী

তথা শরীরাণী যথা বিহায় জীর্ণানন্যানী, সংযাতি নবানি দেহি ।।

Sloka in English –

Basangshi jyirnyani yotha bihaya …Nabani Grinhati Narahoparni …
Totha sharirani yotha bihayo yirnyanyannani ….Songjati nabani dehi ….

Decoded ——
When All the memories are full …No more place is left to use in the temp folders ….The system reboots to clearup the memories and to start a new session …But that reboot doesn’t mean the termination of the system ….Only running processes are killed temporarily ..

——————————————————————————

তাণি সর্বাণি সংযম্য যুক্তা আসীৎ মৎপরঃ

বশে হি যস্যেন্দ্রিয়াণি তস্য প্রজ্ঞা প্রতিষ্ঠিতা ।।

Sloka in English –

Twani Sarbani Sangyamyo yukta asiitt mattparahh
Bashe hi yashyeindriyani tasya pragya pratisthita.

Decoded ——

As all the hardwares are needed to be configured properly by their suitable drivers to make a system stable and well working. Like that all the 5 sences of a human being (which links him up with the outer world & generates lusts and greed) are to be controlled properly by will power to make the mind stable.

——————————————————————————

যদা সংহরতে চায়ং কূর্মোহঙ্গানীব সর্বশঃ

ইন্দ্রিয়াণীন্দ্রিয়ার্থেভ্যস্তস্য প্রজ্ঞা প্রতিষ্ঠিতা ।।

Sloka in English –

Yada Sangharate chayang kurrmohonganibo sarbashahh
Indriyaniindriyarthevyostoshy progya protisthita .

Decoded ——

When a virus or malicious trozan is spread in the network then we must terminate all the network access of the system to keep it clean. In that time how much may our mind wishes to see facebook updates or emails or anything else in the internet we should not grant network access to our system to protect it from being infected by virus. In that time only a system which is disconnected from the infected network can run a stable system.

Likewise all the tempting thing in this universe which generates lust and want in our mind are like virus which can infect our total mind and have the ability to make an innocent mind full of agony & jealousy. So whenever we face these things however our 5 scenes wish to feel it we should resist ourselves forcefully. Only a mind which is far from these tempting things can gain stable eternal peace.

লিউ

অনেক অনেক দিন আগে, চীন দেশে লিউ নামে এক মেয়ে বিয়ে করে বাস করতে লাগল তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ীর সাথে।

খুব অল্পসময়েই লিউ দেখল যে তার শ্বাশুড়ীর সাথে বাস করাটা প্রায় অসম্ভব। ক্রমশ তাদের মধ্যে মতনক্য আর ঝগড়া শুরু হয়। শাশুরি প্রায়শ লিউকে কটাক্ষ করতো বিভিন্ন কাজে।

পরিস্থিতি সবচাইতে খারাপ করল যে দিকটা সেটা হল, চাইনিজ পরম্পরা অনুয়ায়ী লিউ তার শ্বাশুড়ীকে সবসময়েই মাথা নুইয়ে সন্মান জানাতে হতো এবং শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মেনে নিতে হতো।

অনেক দিন এবং সপ্তাহ পার হয়ে গেল কিন্তু তাদের বিবাদ না কমে দিন দিন বাড়তেই থাকল।

এ সমস্ত ঘটনা ক্রমেই লিউর স্বামীকে হতাশাগ্রস্থ করে তুলল।

লিউ কোনভাবেই তার শ্বাশুড়ীর এই খারাপ আচরন বরদাস্ত করতে পারছিলনা, এবং সে সিদ্ধান্ত নিল যে কিছু একটা করতেই হবে।

একদিন লিউ তার বাবার এক বন্ধু মি: হং এর কাছে গেল যার একটা ফার্মেসি রয়েছে। লিউ তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললো এবং তার কাছে কিছু বিষ চাইল যা দিয়ে তার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলে এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করা যায়।

মি: হং কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন,” লিউ, আমি তোমাকে সাহায্য করবো তোমার সমস্যার সমাধান করবার জন্য, কিন্তু আমি তোমাকে যা যা বলবো তাই তোমাকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।”

লিউ খুশিমনে তার কথায় রাজী হয়ে গেলো।

মি: হং পেছনের রুমে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন একটা ঔষধের প্যাকেট নিয়ে।

তিনি লিউকে বললেন,” তোমার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলবার জন্য এমন কোন বিষ দেয়া উচিৎ হবেনা যা তাৎনিক ভাবে তাকে মেরে ফেলবে। এতে লোকের সন্দেহ তোমার উপর পরবে।

তাই আমি তোমাকে এমন একটা ঔষধ দিচ্ছি যা তোমার শ্বাশুড়ীর শরীরে ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া করবে। প্রতিদিন তার খাবারের সাথে এটা অল্প করে মিশিয়ে দিবে। এটার কার্যকারীতা শুরু হতে কয়েকমাস লেগে যেতে পারে, আর তাই তুমি তোমার শ্বাশুড়ীর সাথে এ কদিন ভাল ব্যবহার করতে থাক যাতে লোকের সন্দেহ কোনক্রমেই তোমার উপর না পরে।

কখনই তার সাথে তর্ক করবেনা, তার প্রতিটি ইচ্ছা পুরণ করবে এবং তার সাথে রানীর মতো আচরণ করবে।”

লিউ খুবই খুশী হল।সে মি: হংকে ধন্যবাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে এল তার শ্বাশুরীকে হত্যা করবার কাজ শুরু করবার জন্য।

সপ্তাহ পার হয়ে মাস পার হয়ে গেল, লিউ তার ঔষধটা শ্বাশুড়ীকে নিয়ম করে খাওয়াতে লাগল।

সে সবার সন্দেহের উর্দ্ধে থাকবার জন্য মি: হং এর উপদেশও অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে লাগলো। সে তার বাজে রাগকে প্রশমিত করলো, তার শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মাথা পেতে পালন করতো এবং তার সাথে আচরণ করত তার নিজের মায়ের মতই।

ছয়মাস পর পুরো ঘরের দৃশ্যপট পাল্টে গেল।

লিউ তার রাগকে এতটাই দমন করা শিখে গেল যে, সে আর তেমন করে উত্তেজিতই হতে পারত না।

তার সাথে তার শ্বাশুড়ীর এই ছয়মাসে কোন তর্কই বাধল না, আর এখন লিলি তার শ্বাশুড়ীর সাথে অনেক বেশী ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল।

লিউর প্রতি তার শ্বাশুড়ীর আচরণেরও পরিবর্তন হল, এবং তিনি লিউকে তার মেয়ের মতই ভালবাসতে শুরু করলেন।

তিনি তার বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনদেরকে বলতে লাগলেন যে, পৃথিবীতে যত বৌমা আছে তার মধ্যে লিউ হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট।

লিউ এবং তার শ্বাশুড়ী, মেয়ে এবং মা এর মতই বাস করতে লাগল।

সবকিছু দেখে লিউর হাসবেন্ডও খুব খুশি হয়ে উঠল।

একদিন লিউ আবারও মি: হং এর কাছে সাহায্যের জন্য আসল। সে মি: হংকে বলল, ” প্রিয় মি: হং, আপনার বাকি ঔষধ আপনি ফিরিয়ে নিন এবং যতটুকু ক্ষতি আমার শ্বাশুড়ীর হয়েছে তা কাটাবার কোন ঔষধ দিন। তার মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন তাকে আমি আমার মায়ের মতই ভালবাসি।”

মি: হং হেসে সামান্য মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, ” লিউ, ভয় পাবার কোন কারন নেই, আমি তোমাকে কোন বিষ দেইনি। যেটা দিয়েছিলাম সেটা ছিল একপ্রকার ভিটামিন। যা তোমার শ্বাশুড়ীর স্বাস্থ্য ভাল হতে সাহায্য করেছে।

একমাত্র বিষ ছিল তোমার মনে এবং তার প্রতি তোমার আচরণে, যেটা তুমি পুরোপুরি ধুয়ে ফেলেছ তাকে ভালবেসে।”

মনে রাখবেন,” যে যাকে যতটা ভালবাসা দেবে, প্রতিদানে ততটা ভালবাসাই পাবে। আপনি যেমন ব্যাবহার করবেন, তার থেকে ভালো ব্যাবহার আপনি আশা করতে পারেন কি?? ভালো ব্যাবহারই মানুষকে সুন্দর ও সুখী পথের নির্দেশনা দেয়”